কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনার জন্ম দিয়েছে সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ। সাজানো অস্ত্র মামলার আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন ভোগান্তির পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া সিএনজি চালক জাফরের পরিবারের ওপর ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে পরিবারের অন্তত ছয়জন নারী সদস্য গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত এই হামলায় নারী ও শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। আহতদের মধ্যে দুজন গর্ভবতী নারী রয়েছেন। তাদের একজনের গর্ভে নয় মাসের সন্তান রয়েছে। হামলার সময় মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন कर्तव्यরত চিকিৎসকরা।
আহতদের উদ্ধার করে ঈদগাঁও থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে স্বজনদের আহাজারি আর আহত নারীদের কান্নায় এক হৃদয়স্পর্শী পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবারের দাবি, এ হামলা শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে চলমান নির্যাতন ও হয়রানির ধারাবাহিকতার অংশ। তারা অভিযোগ করেন, জাফরের শাশুড়ি মনোয়ারা বেগমও এ হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, মনোয়ারা বেগমের স্বামী মরহুম আহমদ উল্লাহকে ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল বলে পরিবারের অভিযোগ। স্বজনদের ভাষ্যমতে, সেই হত্যাকাণ্ড ছিল একটি পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। কিন্তু এক যুগ পার হলেও অসহায় ও দুস্থ পরিবারটি এখনো ন্যায়বিচারের মুখ দেখেনি।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, “স্বামীকে হারিয়েছি, বিচার পাইনি। আজ আবার আমাদের নারী সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা কোথায় যাব, কার কাছে বিচার চাইব?”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বেঙ্গল মিরর এ ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্য, আহতদের অবস্থা এবং হামলার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। পরবর্তী আপডেট জানতে চোখ রাখুন বেঙ্গল মিররের পরবর্তী সংবাদে।