বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ ও ভারতকে আমি আলাদা করে দেখছি না। ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা ও মানুষের বন্ধনে দুই দেশ গভীরভাবে যুক্ত।”
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, যোগাযোগ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নতুন হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যেও দীর্ঘদিনের আত্মিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর করতে উভয় দেশের সরকার একসঙ্গে কাজ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন。
তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে যৌথ উদ্যোগ আরও বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন হাইকমিশনারের এই বক্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে political, অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ইতিবাচক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা হিসেবে এ মন্তব্যকে দেখা হচ্ছে।
কূটনৈতিক মহল বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারত পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। নতুন হাইকমিশনারের বক্তব্য সেই প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
বেঙ্গল মিরর মনে করে, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে গেলে তা শুধু বাংলাদেশ ও ভারতের জন্যই নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্যও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।